পোস্টগুলি

কোন একদিন

  কোন একদিন... তোর বাহুডোরে–কোল জুড়ে; আকড়ে রবো পড়ে; যেন মৃত-নিথর দেহ, আমায় নিয়ে জানবেনা কেহ, শুধু তুই ছাড়া–দিশেহারা; মন গহীনের বার্তা বাহক।   কোন একদিন... যেদিন আকাশ ভেঙ্গে; মেঘেরা কাঁদবে-অঝোর, সারা রাত্রী বৃষ্টি হয়ে – ফুটবে যে ভোর, আমি শুধুই তোর – ভালোবাসায় বন্দি রয়ে; থাকবো পড়ে আন্দামানে, একলা-অসীম-নিসঙ্গতায়, শুধু তোর শূন্যতায়। কোন একদিন...   -স্বাধীন রাক্বীব (০২/৬/২০২৫)  

পত্রবেদী-১

ছবি
কুহেলিকার লুকোচুরির ফাঁকে দু’আঁখি মেলিয়া যে চাহিয়া থাকে সেই তুমির প্রেমে মক্ত হই বারেবার কি দুঃখ, কষ্ট কবেকার ভুলিয়া তোমাতে মজিয়া থাকি। প্রিয়, তোমাতে মজিয়া শেষে এক পাগলের বেশে পথ হারাইবো পরিচিত জনপথে লইও খুঁজিয়া বারে বারে পথঘাট-বাজার কিংবা রথে ইতি, তোমার পাগল -২৭/১১/২০২৪ইং  

জুলাইয়ের ক্ষত - নবযুগের সূচনা

ছবি
  “জুলাইয়ের ক্ষত” নবযুগের সূচনা                                                        -নিয়ামুর রাক্বীব (স্বাধীন)   ২রা আগস্ট, ২০২৪ (শুক্রবার) পূর্বে প্রকাশিত আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা সংবলিত “কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ - একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্নে ” জার্নাল প্রকাশের পর ২রা আগস্ট, ২০২৪ (শুক্রবার) পুনরায় লেখা শুরু করলাম। আজকের তারিখটাকে বরং “৩৩ শে জুলাই” বলাই শ্রেয়। জুলাইয়ের রক্তমাখা ক্ষত এবং দ্রোহ এখনো নিভে যায়নি। এর ভিতরেই বেশ কিছু ঘটনা ঘটে গেছে। সংক্ষেপে তার বর্ণনা দেই। তার মধ্যে অন্যতম হলো পুলিশের ডিবি (ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ) এর প্রধান হারুন অর রশিদ (যে ভাতের হোটেলের হারুন নামে পরিচিত ছিল) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান ৬ সমন্বয়কদের চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতাল এবং বাসা-বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় । পরবর্তীতে বলা হয় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলো বলে তাদের সুরক্ষা দিতে তাদেরই অনুরোধে ডিবি অফিসে তুলে আনা হয়েছে...

কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ - একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন

ছবি
“ কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪” একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন -        নিয়ামুর রাক্বীব ২০২৪ এর জুলাই মাস আমার জীবনের আদল পরিবর্তন ঘটিয়েছে । আমি আমাকে নতুন করে চিনেছি । এই আত্মোপলব্ধির ভয়াল স্মৃতি আমি আমার ভাষায় লিপিবদ্ধ করছি । ২০১৮ সালে কোটা সংস্কারের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সরকারের গৃহিত কোটা নীতির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ৬ বছর পরে এসে হুট করেই রায় দেয় । তারই প্রেক্ষিতে ২০২৪ সনের জুলাই মাসের শুরু থেকেই কোটা সংস্কার আন্দোলন পুনরায় শুরু হয় । এই বিষয়ে শুরু থেকেই আমার নিজস্ব মতামত এই ছিল যে , সরকার প্রধান ভারতীয়দের যেই ট্রানজিত সুবিধা বাংলাদেশের মধ্যে দিচ্ছে তা থেকেই নজর সরাতে এই কোটা আন্দোলনের ইস্যু তৈরী করে , নতুবা কেন দীর্ঘ ৬ বছর ঝুলে থাকার পর হুট করেই আদালত অসাংবিধানিক “ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ” র পক্ষে রায় দেয় ? বলা বহুল্য বাংলাদেশের সকল বিবেকবান নাগরিকই জানেন বাংলাদেশের আইন - কানুন , আদালত এমন কি সুপ্রীম কোর্ট - কেও সরকার কতটা নিয়ন্ত্রন করতে পারে ।...